ইন্টারনেট-ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদা অনেক। মূলত হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবয়ব তৈরি করা। ওয়েব ডিজাইনারের মূল কাজ একটা সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো বা সাইটটি দেখতে কেমন হবে তা নির্দিষ্ট করা, ডিজাইন করা। ওয়েব ডিজাইনাররা সাধারণত স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকেন। আবার ডায়নামিক বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ডিজাইনের অংশটুকুর কাজও তাঁদের করতে হয়।
বতর্মানে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে ক্রিয়েটিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য প্রতিটি সাইটে ২০০ ডলার থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য প্রচুর আগ্রহী শিক্ষার্থী থাকলেও প্রয়োজনীয়সংখ্যক এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নেই।
অনলাইনে কাজের কোনো শেষ নেই। বরং ওয়েবসাইট ডিজাইনারের সংকট রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের কাজেরও তাই সম্ভাবনা অফুরন্ত। তবে দুঃখজনক হচ্ছে, আমরা চাইলেও ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিতে পারি না। হাতে গোনা কয়েকটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান থাকলেও এগুলো আবার ঢাকাভিত্তিক। তাই মফস্বলের কেউ এ সুযোগগুলো পায় না।
তবে যাঁরা ওয়েবসাইট ডিজাইনিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাঁরা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন নিজেদের প্রশিক্ষণ ম্যাটেরিয়াল। ইন্টারনেটে শত শত ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সচিত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন শেখার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে ভিডিওচিত্রও। আবার ওয়েবসাইট ডিজাইনিং শেখার প্যাকেজসহ বিভিন্ন সিডি পাওয়া যায় অনলাইনে। তবে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হয়, যেহেতু আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সবার পক্ষে এসব ভিডিও কিনে দেখা সম্ভব নয়, তাই টরেন্ট সাইটগুলোর মাধ্যমে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারেন।
ওয়েবসাইট ডিজাইনার হওয়ার জন্য মূলত এইচটিএসএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়েরি, ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের কাজ শিখলেই হয়। আর আরেকটু ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পিএইচপি বেসিকসহ আরো কয়েকটি প্রোগ্রামে দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজন পড়ে। আর এসব বিষয়ে কাজ করতে করতেই অনেক কিছু শেখার এবং দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
কোর্সে “ওয়েব ডিজাইনিং” এর যাবতীয় যে সব বিষয় গুলো রয়েছে।
কোর্সের মধ্যে উলেক্ষযোগ্য বিষয়ঃ-
Photoshop – ফটোশপ ও পূর্নাঙ্গ পিএসডি তৈরি।
Drawing, Skecim, Color – ড্রয়িং, স্কেচিং, কালার কম্বিনেশন এর বিস্তারিত।
Typography Fundamental – টাইপোগ্রাফি ফান্ডামেন্টাল।
Web Design Fundamental- ওয়েব ডিজাইন ফান্ডামেন্টাল।
Design – ডিজাইন এর মূলতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা।
HTML and CSS – এইচটিএমএল এবং সিএসএস এর অপরিহার্য অংশ।
HTML 5, CSS 3 এর পূর্ণ ব্যবহার।
PSD-To-HTML – পিএসডি টু এইচটিএমএল কনভার্সন।
Responsive Web Design – রেস্পন্সিভ ওয়েব ডিজাইনিং প্রশিক্ষণ।
ডেক্সটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে লোডশেডিং। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোন গুরুত্বপূর্ণ নথি লিখছেন, মাঝখনে হটাৎ করেই লোডশেডিং কিংবা ভোল্টেজ আপ-ডাউনে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেল! এদিকে লেখায় বেশি মনোযোগ থাকায় ভুলে গেছেন লেখার একটু পর পর সেভ করার জন্য (Ctrl+S) চাপতে। যার ফলে আপনার বিশাল পরিমান সময় ও শ্রম নষ্ট হল।
তবে আজকের পর থেকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে আর পড়তে হবেনা। এ সমস্যার সহজ ও কার্যকরী সমাধান পারে অটোসেভ অপশন চালু করা। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখার সময় মেন্যুয়েলি সেভ না করেও অটোমেটিক সেভ করা যায়।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট অটো সেভ-
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের অফিস বাটনে ক্লিক করুন
উপরের লাল দাগ দেওয়া ওয়ার্ড অপশনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটি মেনু আসবে।
বাম পাশের সেভ মেনুতে ক্লিক করার পর Save Auto Recover information every এর বাম পাশের বক্সে ছবির মত রাইট/টিক চিহ্ন দেওয়া থাকলে আপনি শুধু 10 এর জায়গায় ঠিক কত মিনিট পর পর অটোসেভ করতে চান ঠিক তত মিনিট বসিয়ে নিচের ওকে বাটনে ক্লিক করুন।
আর যদি বক্সে কোন টিক চিহ্ন না থাকে তাহলে বক্সের উপরে মাউসের বামপাশের বাটন ক্লিক করে সময় সেট করলেই আপনার কাজ শেষ। এরপর থেকে ওয়ার্ডে আপনি যে কাজই করেন না কেন তা আপনার বেঁধে দেওয়া সময়ের পরপরই অটোসেভ হয়ে যাবে।
যত কম সময় সেট করবেন লোডশেডিংয়ে ডেটা হারানোর সম্ভাবনা তত কমবে, তাহলে এবার থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করুন নিশ্চিন্তে।
টেকমাস্টার ব্লগে নতুন প্রকাশনা (পোষ্ট) লিখার ক্ষেত্রে এখন থেকে যে সব নিয়ম পালন করতে হবে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এ প্রকাশনায়।
পোষ্ট তো সবাই লিখতে পারে। কিন্তু নিয়ম মেনে পোষ্ট লিখে কজন! নিয়ম গুলোই বা জানে কজন!
দ্রষ্টব্যঃ পোষ্ট (Post) শব্দের বাংলা অর্থ হিসেবে টেকমাস্টার ব্লগ এখন থেকে "প্রকাশনা" শব্দটি ব্যবহার করবে।
প্রকাশনা (post) লিখতে নিয়ম কিসের?
জনপ্রিয় ব্লগ গুলোতে যদি আপনি নিয়মিত ভিজিট করেন তাহলে দেখবেন তাদের প্রতিটি পোষ্ট সাজানো গুছানো! মনে হতে পারে হয়ত তা ব্লগের থিমের কারসাজি! কিন্তু সব থিমের কারসাজি; প্রতিটি লেখককেও কিছু নিয়ম মেনেই পোষ্ট করতে হয় ব্লগের সৌন্দর্য বজায় রাখতে এবং ব্লগের লোড-স্পিড বাড়াতে।
কি কি নিয়ম মানতে হবে?
প্রথম কাজ হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রকাশনা (Post) লিখা শেষ করা। তারপর নিচের কাজ গুলো করা। প্রকাশনা লিখার কাজ শেষ না করেই নিচের কাজ গুলো করতে গেলে সময় বেশী নষ্ট হবে।
১. আকর্ষণীয় প্রকাশনা শিরোনাম (টাইটেল)
পোষ্টের নাম হতে হবে ছোট এবং আকর্ষণীয়। এখানে দ্রষ্টব্য হচ্ছেঃ
শিরোনাম দেখে যাতে বুঝা যায় প্রকাশনাটা কি নিয়ে।
শিরোনাম কিন্তু পোষ্টের “বর্ণনা/সারাংশ” নয়; পোষ্টের “বিষয়”।
২. প্রকাশনা (post) শুরু করতে হবে প্রকাশনার সারাংশ দিয়ে
প্রকাশনার শুরুর প্রথম প্যারা অবশ্যই ১০০ অক্ষর মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে। এ অংশে পোষ্টের প্রধান কথা লিখার চেষ্টা করুন। যা পড়ে একজন পাঠক যাতে বুঝতে পারেন তিনি পোষ্ট পড়ে কি জানতে পারবেন। শিরোনামের পরে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
৩. প্রকাশনার (post) সারাংশ লিখার পর অবশ্যই <!–more–> ট্যাগ ব্যবহার
পোষ্টের শুরুর প্যারার পর অবশ্যই <!--more--> ট্যাগ দিতে হবে। এটি দিলে ব্লগের শুরুর পাতায় <!--more--> ট্যাগ পর্যন্ত অংশটুকু প্রকাশনায় দেখাবে। প্রথম প্যারা বলতে দ্বিতীয় অংশে যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তা বুঝানো হচ্ছে।
MORE ট্যাগ বাটন
৪. প্রকাশনায় (post) excerpt বাক্সের এর ব্যবহার
excerptnoun
a short extract from a film, broadcast, or piece of music or writing.
excerpt/সারসংক্ষেপ বাক্সে পোষ্টের সারাংশ/সারসংক্ষেপ লিখা হয়। এখানে সাধারণত উপরে বর্ণিত (দ্বিতীয় অংশে) প্রকাশনার শুরুর প্যারাটাই (অর্থাৎ <!--more--> ট্যাগ এর আগ পর্যন্ত লিখা) কপি-পেস্ট করা হয়। এছাড়া নিজের ইচ্ছা মতও সারসংক্ষেপ দেয়া যায়।
“excerpt/সারসংক্ষেপ” বাক্স“excerpt/সারসংক্ষেপ” বাক্স খুঁজে না পেলে ছবিটি অনুসরণ করুন
এটি না করলে,
সারসংক্ষেপ বেশী বড় হলে ব্লগের প্রথম পাতায় সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ দেখাবে না।
স্বয়ংক্রিয় ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগে (সোশ্যাল মিডিয়া) শেয়ারের ক্ষেত্রে আপনার সম্পূর্ণ প্রকাশনার লিখাই শেয়ার হয়েছে যাবে।
প্রকাশনাতে বাংলা ব্যবহার করার চেষ্টার করুন। বাংলা নতুন শব্দ যেমনঃ হালনাগাদ, প্রকাশনা, অনুলিপি ইত্যাদি ব্যবহার করলে ব্রাকেটে ইংরেজি শব্দটি লিখে দিন, যাতে মানুষ নতুন শব্দ গুলোর ব্যবহার জানতে পারে।
যেমনঃ হালনাগাদ (update), প্রকাশনা (post), অনুলিপি (copy) ইত্যাদি।
যারা অভ্র ব্যবহার করে কম্পিউটারে বাংলা লিখেন তাদের জন্য কিন্তু এ কাজটি আরো সহজ। আপনার সম্পূর্ণ লিখা কপি করুন। কীবোর্ড থেকে Ctrl+F7 চাপুন, তাহলে অভ্র প্যাড চালু হবে। এবার অভ্র প্যাডে লিখা পেস্ট করুন এবং F7 চাপুন। অভ্র প্যাড আপনাকে ভুল বানান ধরিয়ে দিবে।
অভ্র প্যাড
৬. শিরোনাম ট্যাগ (heading tag) ব্যবহার করুন
প্রকাশনা ছোট হলে হয়ত শিরোনাম ট্যাগ (h1, h2, … , h6) ব্যবহার এর প্রয়োজন হয়না। কিন্তু প্রকাশনা বড় হলে চেষ্টা করুন প্রতিটি ভাগের জন্য একটি করে শিরোনাম দিতে। শিরোনাম ট্যাগ গুলো লেখা ছোট বড় করার জন্য ব্যবহার করবেন না।
শিরোনাম নির্বাচন করুন এখান থেকে
শিরোনাম ট্যাগ গুলোর ব্যবহার এরকমঃ
প্রাথমিক কোনো অংশের জন্য h1 (শিরোনাম ১) ট্যাগ ব্যবহার করুন।
h1 ট্যাগের ভিতর যদি আরো অংশ থাকে সেগুলোর জন্য h2 (শিরোনাম ২) ব্যবহার করুন
h2 ট্যাগের ভিতর যদি আরো অংশ থাকে তাহলে h3 (শিরোনাম ৩) ব্যবহার করুন। এভাবে চলতে থাকবে..
পরামর্শ হল সর্বোচ্চ h3 (শিরোনাম ৩) ট্যাগ পর্যন্ত ব্যবহার করুন। h4, h5 এবং h6 না ব্যবহার করা ভাল।
৭. সঠিক বিভাগ (category) নির্বাচন করুন
টেকমাস্টার ব্লগে একাধিক বিভাগ নির্বাচন করার সুবিধা আছে। তাই সঠিক বিভাগ বা বিভাগ সমূহ নির্বাচন করুন।
৮. প্রয়োজন মতো ট্যাগ (tag) দিন
ট্যাগ অংশে দিতে হবে আপনার পোষ্টের কি-ওয়ার্ড সমূহ। কি-ওয়ার্ড মানে হল এমনকিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যেগুলো আপনার প্রকাশনার সাথে মিলে।
যেমনঃ “ফেসবুক প্রোফাইল ভিডিও চালু” নামে প্রকাশনার জন্য ট্যাগ হতে পারে- ফেসবুক, প্রোফাইল ভিডিও, ফেসবুক প্রোফাইল ভিডিও, ভিডিও ইত্যাদি।
৯. ছবির ফাইলের আকার ছোট করা (ইমেজ অপটিমাইজেশন)
যে কোনো ওয়েব সাইটে সব থেকে লোডিং টাইম বেশী লাগে ছবি (image) লোড হতে। তাই অবশ্যই ছবির আকার ছোট রাখার প্রতি ব্লগের লেখকদের দৃষ্টি দিতে হবে।
ছবির ফাইলের আকার কমাতে ছবির আকারই ছোট করতে হবে অথবা কোয়ালিটি কমিয়ে ফেলতে হবে তা কিন্তু না!
কিছু সফটওয়্যার এবং ওয়েব সাইট আছে যেগুলো ছবির (দৃশ্যত) কোনো ক্ষতি না করে ফাইলের আকার ছোট করতে পারে। আমি নিজে ছবি ছোট করতে ব্যবহার করি RIOT (http://luci.criosweb.ro/riot/)। এটি বিনামূল্য সফটওয়্যার। এটি দিয়ে jpg, gif, png ইত্যাদি সব ইমেজ ফাইলের আকার ছোট করা যায়। এটির ব্যবহারও সহজ, RIOT চালু করে শুধু ড্র্যাগ-ড্রপ করে ছবি RIOT উইন্ডোতে ফেলুন এবং সেভ করুন..
অনলাইন সার্ভিস গুলো ব্যবহার করতে চাইলে গুগলে অনুসন্ধান করুন “Free Online Image Optimizer” দিয়ে, তালিকার শুরুতেই অনেক গুলো সাইট পাবেন ছবির ফাইলের আকার ছোট করার জন্য।
১০. ফিচার ইমেজ দিন
ফিচার ইমেজ অবশ্যই দিবেন। এখন থেকে ফিচার ফাইলের আকার হতে হবে: 800 px × 400 px
অর্থাৎ প্রস্থ: ৮০০ পিক্সেল এবং উচ্চতা: ৪০০ পিক্সেল।
কিভাবে ছবির আকার পরিবর্তন (রিসাইজ) করতে হয় তা জানতে নিচের লেখাটি পড়তে পারেনঃ
ফিচার ইমেজ হিসেবে অবশ্যই আকর্ষণীয় কিছু দিতে হবে। আজ-কাল সব বিষয়েই গুগলে HD ছবি পাওয়া যায়।
যে ছবি ফিচার ইমেজ দিবেন তা আবার প্রকাশনার ভিতরে দেয়া যাবে না। ফিচার ইমেজ শুধু ফিচার ইমেজ হিসেবেই ব্যবহার করতে হবে। প্রকাশনার ভিতরে অন্য ছবি ব্যবহার করতে হবে।
১২. ছবির অবস্থান প্রকাশনার (post) বিষয় অনুসারে সাজানো যেতে পারে
প্রকাশনার ভিতর ছবি দেয়া হলে সেগুলোর অবস্থান (alignment) প্রকাশনার বিষয় অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।
যেমন এ প্রকাশনাতে প্রতিটি ছবি মাঝখানে দেয়া আছে। মাঝখানে দেয়ার জন্য প্রকাশনার ছবিকে ক্লিক করে ছবিটি সিলেক্ট করে align center বাটনে ক্লিক করলেই ছবি মাঝখানে চলে আসবে।
align center বাটন
এখন align left এবং align right বাটন (উপরের ছবিতে চিহ্নিত করা বাটনের বাম এবং ডান বাটনটি) দিয়ে প্রকাশনাকে নিচের ছবির মত সাজাতে পারবেন।
অতিরিক্ত কিছু কথা
প্রকাশনাতে অযথা লেখার রং পরিবর্তন করবেন না!
প্রকাশনাতে লেখার গুরুত্ব পরিবর্তনের জন্য bold, underline অথবা italic প্রয়োজন হলে heading ট্যাগ ব্যবহার করুন। লেখার রং নিজে নিজে পরিবর্তন করবেন না। এটি প্রকাশনার সৌন্দর্য কখনো বাড়ায় না।
তবে খুব বিশেষ প্রয়োজনে লাল রংটি ব্যবহার করতে পরেন।
প্রকাশনাতে (post) ক্রেডিট (credit) দিন
অবশ্যই প্রকাশনা কপি-পেস্ট করবেন না। নিজের ব্লগের প্রকাশনা হলেও একটু পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন এবং পূর্বপ্রকাশিত লিখে দিবেন পোষ্টের শেষে।
“পূর্বপ্রকাশিত” এভাবে দিতে হবে
গবেষণামূলক পোষ্ট গুলোতে যেখান যেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন সেগুলোর ক্রেডিট দিবেন। ক্রেডিট দিলে প্রকাশনার মূল্য কিন্তু কমেনা। মানুষ জানতে পারে প্রকাশনাটির কথা গুলোর সত্যতা কত বেশী।
ব্লগে প্রোফাইল ঠিক করুন
ব্লগে পোষ্ট করার আগে অবশ্যই আপনার প্রোফাইল ঠিক করুন। প্রোফাইলে কমপক্ষে প্রোফাইল ছবি এবং প্রোফাইল বায়ো (আত্মজীবনী) যুক্ত করুন। প্রোফাইল আত্মজীবনীতে আপনার নিজের ফেসবুক, টুইটার, গুগল-প্লাস ইত্যাদি লিঙ্কও যু্ক্ত করে দিতে পারেন।
লেখক পাতা
বায়ো না দিলে আপনার লেখক পাতায় আপনার সম্পর্ক কিছু দেখাবে না।
বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র, নানান ভাবে নতুন জিনিস, শিখছি দিবারাত্র... আমি টেকমাস্টার ব্লগের কোর মেম্বারদের একজন; আমরা কাজ করে যাচ্ছি বাংলায় তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগিংকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিতে। আশা করি আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাবো আরো অনেক দুর...